বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২৬
আপনি কি বাটন ফোনে নগদ একাউন্ট খোলার নিয়মবিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে জানতে গুগলে সার্চ করছেন? তাহলে নিচের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন। কেননা আর্টিকেলের মধ্যেবিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেছি কিভাবে বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট ও বিকাশ একাউন্টের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
বিকাশ বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান। আপনাদের মধ্যেই অনেকেই ব্যবসার কাজের জন্য বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট খুলতে চান কিন্তু, জানেন না কিভাবে একাউন্ট খোলাবেন? আশাকরি আর্টিকেলটি পড়লে এ সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ও বিকাশ সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য জানতে পারবেন।
পোস্ট সূচিপত্র.
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম
বর্তমানে গ্রাহক সেবার দিক থেকে বিকাশ সব থেকে বেশি জনপ্রিয় স্থান করে নিয়েছে। কেননা লেনদেন ছাড়াও আরও অনেক ধরনের সেবা গ্রাহকদের প্রদান করে বিকাশ বিশ্বাস অর্জন করেছে। আজকাল অনেকের বিকাশের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করে থাকে কিন্তু অনেকেই আছেন যারা বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করেন কিন্তু ব্যবসার কাজ বা বেশি লেনদেনের জন্য মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে জানেন না। বিশেষ করে তারা নিচের নিয়ম অনুসরণ করে বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট খুলে নিতে পারেন-
ধাপ ১:- ওয়েবসাইটে প্রবেশ
বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য সর্বপ্রথম আপনার মোবাইল ক্রোম ব্রাউজার বা যে কোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করুন এবং সার্চবারে bkash.com লিখে সার্চ করুন। এখন সার্চ রেজাল্টে আশা প্রথম ওয়েবসাইট অর্থাৎ, Bkash মেইন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। তাহলে এমন একটি ইন্টারফেস ওপেন হবে।
বিকাশের হোম পেইজে প্রবেশ করলে সেখানে সাইডবারে থ্রি ডটের ওপর ক্লিক করলে অনেক গুলো অপশন পাবেন। যেমন:
- Campaigns-ক্যাম্পেন্স
- Services- সার্ভিসেস
- Business- বিজনেস
- Help- হেল্প
- Career- ক্যারিয়ার
- Introduction-পরিচিতি
- Blog- ব্লক এবং
- Student স্টুডেন্ট
বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য “বিজনেস” অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানেও অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন। এখান থেকে আপনাকে “মার্চেন্ট” অপশনে ক্লিক করুন।
এরপর “মার্চেন্ট” অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে সেখানে বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট খোলার একটি ফরম দেখতে পাবেন। এখন আপনাকে স্ক্রোল করে নিচে ফরমটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করে জমা অপশনে ক্লিক করতে হবে। যেমন:
ধাপ ২:-ফরম ফিল-আপ করার নিয়ম
এখন আপনাকে ফরমটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।
- প্রথমেই মার্চেন্ট বা দোকানের নাম দিতে হবে ও দোকান কোথায় অবস্থিত সে জেলার নাম এবং এলাকা নির্বাচন করতে হবে।
- এরপর যোগাযোগের জন্য আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল দিন। এছাড়াও যদি অন্য কোন উপায় আপনাকে খুঁজে পাওয়া যায় সেটি করতে পারেন।
- তারপর আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র আছে কিনা সেটি জানতে চাইবে। সেখানে হ্যাঁ ক্লিক করুন। আর মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতেই হবে।
- এরপর আপনার বৈধ ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা সেটা জিজ্ঞেস করবে। এখানে হ্যাঁ ক্লিক করে ট্রেড লাইসেন্সের নাম্বার এবং ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ তথ্য দিয়ে “জমা দিন” এই অপশনে ক্লিক করুন।
উপরের সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করলে বিকাশ থেকে যে কোনো প্রতিনিধি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। এরপর নির্দিষ্ট প্রতিনিধি আপনার সাথে সরাসরি যোগাযোগের পর আরো কিছু ডকুমেন্টস চাইবে বা প্রশ্ন করবে সেগুলোর সঠিক ভাবে উত্তর দিবেন তাহলে আপনার মার্জিন একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে। অর্থাৎ আপনার বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার সময় যে ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করেছেন। সেই ইমেইল এড্রেসে বিকাশ থেকে একটি মেইল চলে আসবে।
অথবা বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার সময় যে মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করেছেন। সেই মোবাইল নম্বরে বিকাশ থেকে সরাসরি ফোন দিবে এবং আপনাকে জিজ্ঞেস করবে আপনি বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট খুলবেন কিনা। তারপর বিকাশ কোম্পানির প্রতিনিধি আপনার সাথে সরাসরি আপনার দোকানে এসে দেখা করবে এবং আপনার বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট সেটিং চালু করে দিবে।
আপনার যখন বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্ট একটিভ হয়ে যাবে। তখন আপনি গুগল প্লে-স্টোর থেকে বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাপসটি ইন্সটল করুন। তারপর আপনার বিকাশ মার্চেন্ট নম্বরটি ব্যবহার করে একাউন্ট লগইন করুন। তাহলে আপনি যত ট্রানজেকশন করবেন সকল ট্রানজেকশন বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট যোগ হবে। এখন আপনি বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করে টাকা ডিপোজিট এবং উইথড্র করতে পারবেন।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ক্যাশ আউট চার্জ
বাংলাদেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মধ্যে বিকাশ অন্যতম জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবসায়ীদের জন্য সহজে টাকা গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি করেছে। মার্চেন্ট একাউন্টের মাধ্যমে দোকানদাররা গ্রাহকের কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেই টাকা ক্যাশ আউট করতে পারেন
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে এজেন্ট পয়েন্টে ক্যাশ আউট চার্জ সাধারণত ১.৪৯% (হাজারে ১৪.৯০ টাকা), যা প্রতি মাসে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রযোজ্য এই সুবিধা পেতে অ্যাপ বা *২৪৭# ডায়াল করে প্রিয় এজেন্ট সেট করতে হয়। ৫০,০০০ টাকার বেশি হলে বা সাধারণ এজেন্ট থেকে ক্যাশ আউট করলে চার্জ ১.৮৫% (হাজারে ১৮.৫০ টাকা।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট
bKash মার্চেন্ট একাউন্টের লিমিট সাধারণ পার্সোনাল একাউন্টের থেকে কিছুটা ভিন্ন এবং ব্যবসায়িক প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। মার্চেন্ট একাউন্ট মূলত ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি, যাতে তারা গ্রাহকের কাছ থেকে সহজে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন এবং সেই টাকা ব্যবস্থাপনা করতে পারেন।
নিচে এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে বিকাশ মার্চেন্ট লিমিট চেক করতে পারবেন bKash.com। এছাড়াও বিকাশ মার্চেন্ট লিমিট সংক্রান্ত কিছু সংগৃহীত তথ্য বিকাশ ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত দেওয়া হলো-
- একজন বিকাশ গ্রাহক তার বিকাশ একাউন্ট থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা এবং প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২০০,০০০ টাকা পর্যন্ত টাকা ক্যাশ আউট করতে পারবেন (এজেন্ট এবং এটিএম থেকে সম্মিলিতভাবে)।
- প্রতি লেনদেনে সর্বনিম্ন পেমেন্টের পরিমাণ ১টাকা। অন্যান্য ক্ষেত্রে, মার্চেন্টের ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ লিমিট ভিন্ন হতে পারে।
- একজন বিকাশ একাউন্ট হোল্ডার যে কোন মুহূর্তে তার একাউন্টে-এ সর্বোচ্চ ৫০০,০০০ টাকা রাখতে পারবেন।
- বিকাশ একাউন্ট থেকে যেকোনো প্রিপেইড নাম্বারে সর্বোচ্চ *১,০০০ টাকা এবং পোস্টপেইড নাম্বারে সর্বোচ্চ *৭,০০০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন। তবে, যেকোনো প্রিপেইড নাম্বারে ১,০০১ থেকে ৭,০০০ টাকার মধ্যে কোনো প্যাক অথবা অফার থাকলে বিকাশ থেকে রিচার্জ করে তা নেয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে আপনার মোবাইল অপারেটরের সাথে যোগাযোগ করুন।
- রেমিটেন্স-এর ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে একজন ব্যক্তি বাংলাদেশে এক লেনদেনে সর্বোচ্চ ২৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত পাঠাতে পারবেন। প্রেরিত অর্থের সাথে প্রতিবার ২.৫% সরকারি প্রণোদনা যুক্ত হবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত প্রণোদনা যুক্ত হবে।
- রেমিটেন্স-এর ক্ষেত্রে বিকাশ একাউন্টে সর্বোচ্চ ৫০০,০০০ টাকা রাখার শর্তটি প্রযোজ্য নয়। তবে বিকাশ একাউন্টের ব্যালেন্স ৫০০,০০০ টাকার নিচে না নামা পর্যন্ত ক্যাশ ইন/অ্যাড মানি/মানি রিসিভ সহ কোনো ধরনের টাকা গ্রহণ বা আনতে পারবেন না (রেমিটেন্স ও সরকারি ভাতা ব্যতীত)।
- অপারেটরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেকোনো গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল ও বাংলালিংক নাম্বারে সরাসরি মোবাইল রিচার্জের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন লিমিট ২০ টাকা। তবে, ২০ টাকার নিচে অপারেটরের কোনো ধরনের প্যাক অথবা অফার থাকা সাপেক্ষে গ্রাহকেরা বিকাশ এর মাধ্যমে রিচার্জ করে প্যাক বা অফারটি নিতে পারবেন।
- অপারেটরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টেলিটক নাম্বারে সরাসরি মোবাইল রিচার্জের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন লিমিট ১০ টাকা এবং যেকোনো গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল ও বাংলালিংক নাম্বারে রিচার্জের সর্বনিম্ন লিমিট ২০ টাকা। তবে, ২০ টাকার নিচে অপারেটরের কোনো ধরনের প্যাক অথবা অফার থাকা সাপেক্ষে গ্রাহকেরা বিকাশ এর মাধ্যমে রিচার্জ করে প্যাক বা অফারটি নিতে পারবেন।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা অসুবিধা
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট বর্তমান সময়ে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থায় ব্যবসায়ীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এর মাধ্যমে সহজেই গ্রাহকদের কাছ থেকে দ্রুত ও নিরাপদে টাকা পাঠানো যায়। তবে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে যে গুলো বিকাশ মার্চেন্ট ব্যবহার করার আগে সঠিক ভাবে জানা অত্যন্ত জরুরি-
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের সুবিধা
মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবসায়ীদের জন্য ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট সুবিধা সমূহ নিচে দেওয়া হলো-
- আপনি যদি বিকাশ মার্জেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করার পর মোবাইলের রিচার্জ করেন তাহলে ১% কমিশন পাবেন। অর্থাৎ, আপনি যদি ১০০০ টাকা মোবাইলে রিচার্জ করেন। তাহলে আপনি ১০ টাকা কমিশন পাবেন।
- দোকান অথবা ব্যবসার ক্ষেত্রে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের মাধ্যমে কাস্টমারের কাছে থেকে খুব সহজেই পেমেন্ট গ্রহণ করা যায়।
- বিকাশ মার্জেন্ট একাউন্টের কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে বা মার্চেন্ট নম্বর ডায়াল করে গ্রাহকরা লেনদেন করতে পারবে। এতে করে কাস্টমারের সময় বাঁচবে এবং নিরাপদে লেনদেন বা পেমেন্ট করতে পারেন।
- সরাসরি বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে ব্যাংকে টাকা ট্রান্সফার করা যায়।
- মার্চেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক সমস্ত লেনদেনের ডিজিটাল বিবরণী (Statement) দেখা যায়। ফলে খাতা-কলমে হিসাব রাখার ঝামেলা কমে।
- বিকাশ অনেক সময় মার্চেন্ট একাউন্টের ডিসকাউন্ট অথবা ক্যাশ আউটের সুযোগ দিয়ে থাকে।
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করে কোন প্রকারের ঝামেলা ছাড়াই লেনদেন করা যায় এবং বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করার ফলে ক্যাশ ব্যবসার ঝুঁকি কমে এবং কর্মচারী দিয়ে টাকা গণনার প্রয়োজন হয় না।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট অসুবিধা
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের যেমন সুবিধা রয়েছে তেমনি কিছু কিছু অসুবিধা রয়েছে। নিচে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট অসুবিধা সমূহ নিচে দেওয়া হলো-
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করে কাস্টমারের কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণ করলে, লেনদেন বা ব্যাংক ট্রান্সফারে নির্দিষ্ট চার্জ কাটা হতে পারে।
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের মাধ্যমে বড় লেনদেন করা ঠিক না। তার কারণ হলো বিকাশ মার্চেন্ট/পেমেন্ট একাউন্টের দৈনিক/মাসিক একটি লিমিট রয়েছে।
- মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য বৈধ ব্যবসা (ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক একাউন্ট) থাকতে হয়।
- বিভিন্ন সময়ে সার্ভার কম কাজ করার কারণে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লেনদেন বন্ধ থাকে। যেটি ব্যবসায়ীদের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
- শুধুমাত্র ব্যক্তিগত একাউন্ট থেকে পেমেন্ট নেওয়া যায়, সব ক্ষেত্রে ব্যবসা-টু-ব্যবসা লেনদেন সম্ভব নয়।
- বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করার সময় ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হয়।
- কিছু কিছু সময় বিকাশ মার্চেন্ট কাস্টমার কেয়ারে সমস্যা থাকার কারণে কাস্টমারদের সমস্যা হয়।
- মার্চেন্ট একাউন্ট থেকে সরাসরি ক্যাশ আউট করা যায় না; সাধারণত ব্যাংকের মাধ্যমে তুলতে হয়।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট করতে কি কি লাগে
আপনি যদি বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট তৈরি করতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনার নিম্নোক্ত ডকুমেন্ট গুলো প্রয়োজন হবে। যেমন:
- আপনার বৈধ NID Card অর্থাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে।
- আপনার বৈধ ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে
- ব্যাংক একাউন্ট এবং
- আপনার মোবাইল নাম্বার/ইমেইল এড্রেস এবং ব্যবসার ঠিকানা প্রয়োজন হবে।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট বন্ধ করার নিয়ম
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট বন্ধ করার নিয়ম সাধারণ বিকাশ একাউন্টের মতোই কিছু নির্দিষ্ট শর্ত ও ধাপ অনুসরণ করে করতে হয়। নিচে সহজভাবে ধাপে ধাপে নিয়মগুলো দেওয়া হলো-
প্রথমে আপনার বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট “লগইন” করতে হবে। তারপর ডান পাশ থেকে বিকাশের লোগো আইকনের ক্লিক করলেই পরবর্তী অপশনে অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন সেখান থেকে নিচের দিকে স্ক্রোল করলেই “সেটিং” নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট বন্ধ করার জন্য “সেটিংস” অপশনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে তিনটি অপশন দেখতে পাবেন। যেমন-
- নাম পরিবর্তন করুন, ছবি পরিবর্তন করুন এবং একাউন্ট ম্যানেজ।
- এখানে “একাউন্ট ম্যানেজ” অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট বন্ধ করার সকল প্রসেস চলে আসবে। যেমন: মার্চেন্ট একাউন্টে কোনো টাকা রাখা যাবে না। সব টাকা ক্যাশ আউট বা ট্রান্সফার করে ব্যালেন্স ০.০০ করতে হবে।
- তারপর আপনার বিকাশ একাউন্টের সকল সেভিংস এবং সাবস্ক্রিপশন বাতিল করতে হবে।
- এরপর মার্চেন্ট একাউন্ট বন্ধ করতে নিজে উপস্থিত হয়ে নিকটস্থ বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যেতে হবে এবং আবেদন করতে হবে।
অর্থাৎ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট বন্ধ করার জন্য উপরে উল্লেখিত সকল প্রসেস সম্পন্ন করতে হবে এবং আপনার নিকটস্থ বিকাশ কাস্টমার কেয়ার যোগাযোগ করতে হবে। তাহলে তারা আপনার বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টটি বন্ধ করে দিবে।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url