১ লক্ষ টাকা ব্যাংকে রাখলে মাসে কত টাকা পাওয়া যায়
আপনি কি ১ লক্ষ টাকা ব্যাংকে রাখলে মাসে কত টাকা পাওয়া যায় সে সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? তাহলে পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। কেননা এ আর্টিকেল এর মধ্যে ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা জমা রাখলে মাসে কত টাকা পাওয়া যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করব।
পোস্ট সূচিপত্র.
১ লক্ষ টাকা ব্যাংকে রাখলে মাসে কত টাকা পাওয়া যায়
আপনি যদি ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা জমা রাখেন, তাহলে এখান থেকে মাসে কত টাকা আপনি পাবেন তা বিশেষ করে নির্ভর করবে আপনি কত মাসের জন্য ব্যাংকে কাছে টাকা জমা রাখতে চাচ্ছেন তার উপর ভিত্তি করে। কারণ ব্যাংকের কিছু নিয়ম আছে যেগুলো মেনে যদি আপনি টাকা জমা রাখেন, তাহলে ১ লক্ষ টাকায় মাসে ৯০০ টাকা মত আপনি লাভ পেতে পারেন।
তবে আপনার টাকার মেয়াদ, ফিক্সড ডিপোজিট ও সঞ্চয়পত্রের উপর নির্ভর করে টাকার মুনাফা কমবেশি পেতে পারেন। আবার অনেক ব্যাংক আছে যারা মাসিক বেশি মুনাফা প্রদান করে থাকে আবার কিছু ব্যাংক আছে যারা মাসিক কম মুনাফা প্রদান করে থাকে। নিচে কিছু জনপ্রিয় ব্যাংক গুলো সম্পর্কে জেনে নিব যারা এক লক্ষ টাকায় মাসে কত টাকা প্রদান করে তার বিস্তারিত তথ্য সম্পর্কে-
ইসলামী ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা রাখলে কত টাকা পাওয়া যায়
বর্তমান সময়ে অনেকেই আছেন যারা নিজের কাছে টাকা না রেখে নিরাপদে মুনাফা অর্জনের জন্য ব্যাংকে টাকা রাখাতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশে ইসলামী শরিয়াহ্-ভিত্তিক ব্যাংকিং সিস্টেমে মুনাফা অর্জন করতে চাওয়া গ্রাহকদের জন্য "ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি" একটি জনপ্রিয় নাম বা ব্যাংক ।
মূলত ইসলামী ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা জমা রাখলে আপনি নির্দিষ্ট স্কিমের উপর ভিত্তি করে মাসে ৪২৫ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৮৫০ টাকার মত মুনাফা পেতে পারেন। তবে প্রতিটি স্কিম এর শর্তাবলি ও মেয়াদের উপর নির্ভর করে মুনাফা কম বেশি হতে পারে। তবে এই মুনাফা যে কোন সময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরিবর্তন করতে পারে। তাই সঠিক তথ্যের জন্য নিকটস্থ ইসলামী ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করাই ভালো।
কিন্তু এখনো মনে প্রশ্ন থেকে যায় যে, ইসলামী ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা রাখলে মাসে কত টাকা পাওয়া যায় ? চলুন, বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক-
ইসলামী ব্যাংকে বর্তমান সময়ে দুটি ধরনের মুনাফাভিত্তিক স্কিম চালু রয়েছে: ১। মুদারাবা টার্ম ডিপোজিট স্কিম (মেয়াদী হিসাব) ২। মুদারাবা মান্থলি প্রফিট ডিপোজিট স্কিম (মাসিক মুনাফা হিসাব)
মুদারাবা টার্ম ডিপোজিট স্কিম
মুদারাবা টার্ম ডিপোজিট স্কিমে ১ লক্ষ টাকা ১ মাসে মুনাফা ৬% বার্ষিক সম্ভাব্য মুনাফা হারে ব্যাংকে রাখলে: মাসিক মুনাফা: ৫০০ টাকা। উৎসে কর (১৫%) অর্থাৎ ৭৫ টাকা কেটে হাতে পাবেন: ৪২৫ টাকা।
- ৩ মাসে মুনাফা: ১০% বার্ষিক সম্ভাব্য মুনাফা হারে ব্যাংকে রাখলে: ২৫০০ টাকা। উৎসে কর (১৫%) অর্থাৎ ৩৭৫ টাকা কেটে হাতে পাবেন: প্রায় ২,১২৫ টাকা।
- ৬ মাসে মুনাফা: ১০.৩০ % বার্ষিক সম্ভাব্য মুনাফা হারে ব্যাংকে রাখলে: ৫১৫০ টাকা। উৎসে কর (১৫%) অর্থাৎ ৭৭২.৫ টাকা কেটে হাতে পাবেন: প্রায় ৪,৩৭৮ টাকা
- ১ বছরে মুনাফা: ১০.৫০ % বার্ষিক সম্ভাব্য মুনাফা হারে ব্যাংকে রাখলে: ১০৫০০ টাকা। উৎসে কর (১৫%) অর্থাৎ ১৫৭৫ টাকা কেটে হাতে পাবেন: প্রায় ৮,৯২৫ টাকা।
তবে, নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ না করে আগে যদি আপনি টাকা উত্তোলন করে নেন তাহলে কোন মুনাফা আপনাকে দেওয়া হবে না।
মুদারাবা মান্থলি প্রফিট ডিপোজিট স্কিম
মুদারাবা মান্থলি প্রফিট ডিপোজিট স্কিমে আপনি যদি তিন বছর অথবা পাঁচ বছরের জন্য টাকা রাখলে প্রতি মাসে মুনাফা পাওয়া যায়:
- ৩ বছরের জন্য (১১% সম্ভাব্য মুনাফা):মাসে মুনাফা: ৯১৬ টাকা কর কেটে হাতে পাবেন: প্রায় ৭৭৯ টাকা।
- ৫ বছরের জন্য (১২% সম্ভাব্য মুনাফা):মাসে মুনাফা: ১,০০০ টাকা কর কেটে হাতে পাবেন: প্রায় ৮৫০ টাকা।
নোট: আপনি যদি নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হবার আগেই টাকা উত্তোলন করেন, তবে ইতো মধ্যে প্রাপ্ত মুনাফার পরিমাণ মূল টাকা থেকে সমন্বয় করে কেটে নেওয়া হতে পারে।
ডাচ বাংলা ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা রাখলে কত টাকা পাওয়া যায়
ডাচ বাংলা ব্যাংকের মেয়াদী আমানত স্কিম:
- ৩ মাসের জন্য: ৭.০০% বার্ষিক হারে হবে (৭,০০০ × ৩/১২) = ১,৭৫০ টাকা। তবে এখানে থেকে উৎস কর হিসেবে ১৫% কাটা হবে যদি আপনার টিন সার্টিফিকেট না থাকে। অর্থাৎ ১,৭৫০ টাকা × ১৫% = ২৬৩ টাকা কর কর্তন হবে। অতএব, হাতে পাবেন ১,৭৫০ - ২৬৩ = ১,৪৮৮ টাকা।
- ৬ মাসের জন্য: ৭.১০% বার্ষিক হারে ১ লক্ষ টাকার মুনাফা হবে ৭,১০০ × ৬/১২ = ৩,৫৫০ টাকা (বছরের অর্ধেকের জন্য)। কর কাটা হলে হাতে আসবে প্রায় ৩,০১৮ টাকা।
- ১ থেকে ৩ বছরের জন্য: ৭.২০% বার্ষিক হারে মুনাফা হবে ৭,২০০ টাকা। কর কাটা হলে হাতে আসবে ৬,১২০ টাকা।
সোনালি ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা রাখলে কত টাকা পাওয়া যায়
১ লক্ষ টাকা এফডিআর করলে কত টাকা জমায় কত লাভ? বর্তমান মুনাফার হার (২০২৫ সাল অনুযায়ী):
- ৩ মাসের জন্য: ৮.২৫% প্রায় ১,৭৫৩ টাকা লাভ (কর বাদে)
- ৬ মাসের জন্য: ৮.৫০% প্রায় ৪,০৯১ টাকা।
- ১ বছর জন্য: ৮.৭৫% প্রায় ৭,৪০৩ টাকা।
- ৩ বছরের জন্য: ৮.৭৫% প্রায় ২২,৩১৩ টাকা।
১ লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমা রাখলে কোন ব্যাংক বেশি মুনাফা দেয়
প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখা যায় মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প বা ডিপিএসে (ডিপোজিট পেনশন স্কিম)। ডিপিএস নামে বহুল প্রচলিত হলেও বিভিন্ন ব্যাংকে রয়েছে এর আলাদা আলাদা নাম। বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলো ডিপিএসের বিপরীতে গ্রাহককে মাসিক, ত্রৈমাসিক, ছয় মাসিক ও বাৎসরিক সুদ দিয়ে থাকে। এছাড়াও সর্বনিম্ন তিন মাস থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময়ের জন্য ব্যাংক গুলোতে সঞ্চয় করার সুযোগ রয়েছে। এসব সঞ্চয়ের বিপরীতে ব্যাংক যে সুদ দেয়, তার নাম ফিক্সড ডিপোজিট রেট বা স্থায়ী আমানতে সুদের হার (এফডিআর)।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের বিদ্যমান ৬১টি ব্যাংকের সুদের হার ভিন্ন ভিন্ন। এফডিআরে বিভিন্ন মেয়াদে ৩% থেকে সর্বোচ্চ ১৩% পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে ব্যাংক গুলো। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ও বিশেষায়িত মিলে দেশের ৯টি ব্যাংকে এফডিআরে বিভিন্ন মেয়াদে ৩% সর্বোচ্চ সাড়ে ১০% পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। আর সাধারণ ডিপোজিটে সুদের হার ৩% থেকে ৪.৫%।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মুনাফা
বাংলাদেশ সবথেকে বেশি সুদ দিয়ে থাকে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক। ব্যাংকটি তিন থেকে ছয় মাসের কম সময়ের সুদ দিচ্ছে ৭% থেকে ৯.২৫% পর্যন্ত।
ছয় মাস থেকে এক বছরের কম সময়ের জন্য ব্যাংকটি দিচ্ছে ৭.২৫% থেকে ১০%পর্যন্ত।
এক বছর থেকে তিন বছর মেয়াদি সময়ের সুদ ৭.৫% থেকে ৯.৫%। আর তিন বছরের বেশি সময়ের ডিপোজিটের জন্য ১০.৬৭% সুদ দিচ্ছে বেসিক ব্যাংক।
এছাড়াও ৬.৩২% থেকে ৯% পর্যন্ত আমানতকারীদের সুদ দিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা, বিডিবিএল, পিকেবি, রাকাব এবং বিকেবি।
বেসরকারি ব্যাংকের মুনাফা
বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংক গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে চতুর্থ প্রজন্মের নতুন ব্যাংক গুলো। এসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে - মিডল্যান্ড, মেঘনা, পদ্মা ব্যাংক, ইউনিয়ন, মধুমতি, এসবিএসি প্রবাসী উদ্যোক্তাদের এনআরবি ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, সিটিজেন ও গ্লোবাল ইসলামী।
ব্যাংক গুলোয় সাধারণ সঞ্চয় রাখলে ২% থেকে ৮% সুদ পাবেন গ্রাহক। মেয়াদি আমানতে মিলবে ৪% থেকে ১১% পর্যন্ত। চতুর্থ প্রজন্মের কিছু ব্যাংক মেয়াদি আমানতের ওপরে সর্বোচ্চ ১২% থেকে ১৩% সুদ দিচ্ছে গ্রাহকদের।
বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে এনআরবি ব্যাংক। তিন থেকে ছয় মাস সময়ের সুদ ৫% থেকে ১০.৫০%, ছয় মাস থেকে এক বছরের বেশি সময়ের জন্য ৬.৫০% থেকে ১০.৭৫% সুদ দিচ্ছে ব্যাংকটি।
তিন বছরের বেশি সময়ের আমানতের সুদ মিলছে ১২% থেকে ১৩.৪৬%। সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এসএবিসি) তিন মাস থেকে তিন বছর বা তার বেশি সময়ের ফিক্সড ডিপোজিটে ৫% থেকে ১২% পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে।
সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় পরিবর্তন, গ্রাহকের কী লাভ?সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় পরিবর্তন, গ্রাহকের কী লাভ?
তিন মাস থেকে তিন বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য ৯.৭৫% থেকে ১১.২৫% সুদ দিচ্ছে এনআরবিসি। একই পরিমাণ সুদ দিচ্ছে বেঙ্গল ব্যাংক, সিটিজেন, মেঘনা এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। মেয়াদি আমানতে ১২% সুদ দিচ্ছে এবি ব্যাংক। এছাড়া ৭% থেকে ১১% সুদ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক, আইএফআইসি, আইসিবি, মার্কেন্টাইল, প্রিমিয়ার, উত্তরা ও ন্যাশনালসহ বেশকিছু ব্যাংক।
শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের মুনাফা
বাংলাদেশের শরিয়াহভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংক গুলোর মধ্যে সবথেকে বড় ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ বিভিন্ন মেয়াদি সঞ্চয়ের উপর সাড়ে ১০% থেকে ১১% এবং এক্সিম ব্যাংক ১০.৫০% থেকে ১১.৫০% পর্যন্ত মুনাফা দিয়ে থাকে। এছাড়াও ৯% থেকে ১১% মুনাফা দিচ্ছে আল-আরাফাহ্, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি, শাহজালাল, এক্সিম, ইউনিয়ন, আইসিবি ইসলামিক গ্লোবাল ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক।
বিদেশি ব্যাংকের মুনাফা
বিদেশি ব্যাংক গুলো সুদে হার কম দিয়ে থাকে থাকে। ব্যাংক গুলো মেয়াদি আমানতে জন্য ৪% থেকে ৯% সুদ পর্যন্ত সুদ দেয়। তিন বছর থেকে তার বেশি সময়ের আমানতে ১১.৫% উপরে সুদ দিচ্ছে কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন।
ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ব্যাংক সর্বোচ্চ ৭% থেকে ১১% সুদ দিচ্ছে। বিদেশি ব্যাংক গুলোর মধ্যে সবথেকে কম সুদ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের। বিদেশি খাতের ব্যাংকটির আমানতের সুদের হার ২%। এছাড়াও এইচএসবিসি এবং ওরি ব্যাংকের সুদের হার ১% থেকে ৬%।
১ লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমা করার উপায়
নির্ধারিত একাউন্টঃ মূলত আপনি যে ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে চাচ্ছেন সে ব্যাংকে পনাকে একাউন্ট খুলে নিতে হবে । তারপর সেই ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী সমস্ত কার্যকারিতা গুলো পূরণ করার পর, সেই টাইমে টাকা জমা দেওয়ার জন্য অনুমতি পেয়ে যাবেন বা টাকা জমা রাখতে পারবেন।
অর্থ জমা প্রদর্শনঃ কোন নিতীতে টাকা জমা দিতে হয় এবং কিভাবে এটি কাজ করে এ সমস্ত টেকনিকগুলো ব্যাংক কর্তৃপক্ষ থেকে জেনে নিবেন। অন্যথায়, পদ্ধতি গুলো না জানার কারণে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
নীতি মালার দিক নির্দেশনাঃ তাই প্রতিটি নীতিমালা খুবই গুরুত্বের সহিত মান্য করে চলবেন যেমন একই তথ্য দিয়ে একাধিক একাউন্ট খোলা, ব্যাংকের নিয়ম ভঙ্গ, দেশের আইন শৃঙ্খলা অমান্য, দেশের বিরোধিতা, অশ্লীন কথোপকথন, ইত্যাদি বিষয়বস্তুগুলো মান্য করতে হয়।
১ লক্ষ টাকা ব্যাংকে রাখলে মাসে কত টাকা পাওয়া যায়-শেষ কথা
আজকের মূল টপিক ১ লক্ষ টাকা ব্যাংকে রাখলে মাসে কত টাকা পাওয়া যায় সে সম্পর্কে। আপনারা যদি উপরের তথ্য গুলো ভালো ভাবে পরেন তাহলে কোন ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা জমা রাখলে বেশি মুনাফা পাবেন জেনে নিতে পারবেন। এ ধরনের নিত্য নতুন তথ্য জানতে অবশ্যই আমাদের ওয়েব সাইটটি ফলো করুন। আমাদের সাথে এতক্ষণ থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url